সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, ট্রান্সআটলান্টিক ফ্লাইটের সময় শুধুমাত্র দৈনিক বাতাস নয়, দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু প্রবণতা দ্বারাও প্রভাবিত হয়। অ্যাটমোস্ফিয়ারিক কেমিস্ট্রি অ্যান্ড ফিজিক্স জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাটি উত্তর আটলান্টিক осসিলেশন (NAO)-এর মতো জলবায়ু প্যাটার্নের কারণে পূর্বমুখী ফ্লাইটের সময়কালের উপর প্রভাব তুলে ধরে।
NAO, উত্তর আটলান্টিক জুড়ে আবহাওয়ার ধরণকে প্রভাবিত করে এমন একটি জলবায়ুগত ঘটনা, যা জেট স্ট্রিমের শক্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করতে পারে। যখন NAO একটি ইতিবাচক পর্যায়ে থাকে, তখন জেট স্ট্রিম শক্তিশালী হওয়ার প্রবণতা থাকে, যার ফলে ট্রান্সআটলান্টিক রুটের জন্য পূর্বমুখী ফ্লাইটের সময়কাল কম হয়। বিপরীতভাবে, একটি নেতিবাচক NAO পর্যায় জেট স্ট্রিমকে দুর্বল করতে পারে, যার ফলে ফ্লাইটের সময়কাল দীর্ঘ হতে পারে।
সি. জে. রাইট, পি. ই. নোবেল, টি. পি. ব্যানিয়ার্ড, এস. জে. ফ্রিম্যান এবং পি. ডি. উইলিয়ামস সহ গবেষকরা এই সংযোগগুলি বুঝতে ফ্লাইট ডেটা এবং জলবায়ু মডেল বিশ্লেষণ করেছেন। তাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে বিমান সংস্থাগুলোকে ফ্লাইটের সময়সূচী এবং জ্বালানী খরচ পরিকল্পনা করার সময় এই জলবায়ু প্রবণতাগুলোকে বিবেচনায় নিতে হতে পারে।
এই অনুসন্ধানের তাৎপর্য কেবল ভ্রমণকারীদের সুবিধার বাইরেও বিস্তৃত। ফ্লাইটের সময়কাল বেশি হলে জ্বালানী খরচ বাড়ে এবং কার্বন নিঃসরণও বেশি হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ার ধরনে প্রভাব পড়লে বিমান ভ্রমণের উপর এই প্রভাব আরও বেশি হতে পারে।
গবেষণাটি জলবায়ু বিজ্ঞান এবং দৈনন্দিন জীবনের মধ্যে জটিল সম্পর্ককে তুলে ধরে। বিমান ভ্রমণের পরিবেশগত প্রভাব কমাতে এবং পরিবর্তিত জলবায়ুর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে কৌশল তৈরি করার জন্য এই সংযোগগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রান্সআটলান্টিক ফ্লাইটের সময় এবং বৃহত্তর বিমান শিল্পে জলবায়ু প্রবণতার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment