৩৭ বছর বয়সী কবি এবং মা রেনি নিকোল গুডকে ৭ জানুয়ারি মিনিয়াপলিসে একজন আইসিই (ICE) এজেন্ট গুলি করে হত্যা করে। সরকারি কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে একজন অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করেন। এর আগে তার বিরুদ্ধে নিজের গাড়িকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
আইসিই (ICE) এজেন্ট জোনাথন রস গুডের গাড়ির ভেতর দিয়ে তাকে গুলি করে। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, তার শরীরে চারটি গুলির আঘাত লেগেছিল। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম গুডের বিরুদ্ধে তার গাড়িকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন যে গুড হিংস্রভাবে গাড়ি চালিয়ে ওই এজেন্টের ওপর দিয়ে চলে গিয়েছিলেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স তার মৃত্যুকে নিজের কর্মফল বলে অভিহিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিও সরকারি ভাষ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভিডিওতে দেখা যায়, গুলি চালানোর সময় গুড গাড়ি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে আত্মরক্ষার দাবি খারিজ করে দিয়েছেন। ম্যাট ওয়ালশ এবং মেগিন কেলি সহ রক্ষণশীল মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা গুডের মৃত্যর জন্য তাকেই দায়ী করেছেন।
গুডকে হেয় করার এই প্রচারণা এআই (AI) চালিত ন্যারেটিভ কন্ট্রোল বা ভাষ্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এআই (AI) অ্যালগরিদম পক্ষপাতদুষ্ট তথ্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এটি দ্রুত জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে। এই তথ্য ছড়ানোর গতি এবং ব্যাপ্তি নজিরবিহীন। এআই (AI) সরঞ্জামগুলি সোশ্যাল মিডিয়ার অনুভূতি বিশ্লেষণ করতে পারে। এছাড়াও, তারা লক্ষ্যযুক্ত পাল্টা ভাষ্য তৈরি করতে পারে। এই ঘটনাটি ভুল তথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে এআই (AI)-এর সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। পাশাপাশি সমালোচনামূলক মিডিয়া সাক্ষরতার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেয়।
গুলি চালানোর ঘটনাটির তদন্ত চলছে। সরকারি ভাষ্যের ওপর জনগণের সমালোচনা বাড়ছে। ঘটনাটির উপলব্ধি তৈরিতে এআই (AI)-এর ভূমিকা সম্ভবত আলোচনার একটি মূল ক্ষেত্র হবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment