হোয়াইট হাউস গাজা "বোর্ড অফ পিস"-এর প্রাথমিক সদস্যদের উন্মোচন করেছে, যা এই অঞ্চলের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। গাজায় বিনিয়োগ, কূটনীতি এবং মাঠ পর্যায়ের কাজ তদারকির জন্য গঠিত বোর্ডগুলোর কাঠামোতে বর্তমানে সিনিয়র পর্যায়ে কোনো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি নেই।
এই কাঠামোতে একটি "প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী বোর্ড" রয়েছে, যা উচ্চ-পর্যায়ের বিনিয়োগ এবং কূটনীতির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে এবং অন্যটি "গাজা নির্বাহী বোর্ড", যা গাজা প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি (NCAG) তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকবে। NCAG ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটদের সমন্বয়ে গঠিত, যার নেতৃত্বে আছেন ড. আলী শাথ, একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন মন্ত্রী।
প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী বোর্ডের জন্য ঘোষিত সাত সদস্যের মধ্যে ছয়জনই আমেরিকান, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অফ স্টেট রয়েছেন। এই ভারসাম্যহীনতা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে যে, মার্কিন পরিকল্পনাটিকে বাইরে থেকে চাপানো সমাধান হিসেবে দেখা হতে পারে, এমনটাই মনে করছেন কিছু পর্যবেক্ষক। বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত সুনির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিশ্রুতি এবং বিনিয়োগ কৌশল এখনও প্রকাশ করা হয়নি। সিনিয়র বোর্ডগুলোতে ফিলিস্তিনি ব্যক্তিত্বের অনুপস্থিতি এই উদ্যোগে স্থানীয় মতামত এবং নিয়ন্ত্রণের স্তর সম্পর্কে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য গাজার অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, তবে সামগ্রিক বাজেট এবং নির্দিষ্ট প্রকল্পগুলোর সময়সীমা সম্পর্কে স্পষ্টতার অভাবে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। "বোর্ড অফ পিস"-এর সাফল্য সম্ভবত উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি সহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে। অতিরিক্ত বোর্ড সদস্য এবং বিস্তারিত কর্মকাঠামো সম্পর্কে আরও ঘোষণা আগামী কয়েক সপ্তাহে প্রত্যাশিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment