ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সম্প্রতি বিক্ষোভকালে হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এই স্বীকারোক্তি হতাহতের মাত্রার প্রথম প্রকাশ্য নিশ্চিতকরণ। খামেনি এই মৃত্যুর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে "অপরাধী" বলেছেন।
অর্থনৈতিক অসন্তোষের জেরে ২৮ ডিসেম্বর বিক্ষোভ শুরু হয়। দ্রুতই তা সরকারের শাসনের অবসানের আহ্বানে রূপ নেয়। খামেনি বলেন, কিছু মৃত্যু ছিল "অমানবিক" এবং "বর্বর"। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ইরানি মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা (HRANA) ৩,০৯০ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে। অধিকারকর্মী গোষ্ঠীগুলোর অনুমান, মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তথ্য প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সহিংসতা অব্যাহত থাকলে তিনি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষতি ও মৃত্যুর কারণ হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন।
এই অস্থিরতা ইরানের অভ্যন্তরে গভীর অসন্তোষের ওপর আলোকপাত করে। অর্থনীতি জন অসন্তোষের একটি প্রধান উৎস হিসেবে রয়ে গেছে।
পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ। তথ্য আসতে থাকার সাথে সাথে আরও উন্নয়নের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment