ইমিগ্রেশন বিতর্ক উস্কে দিয়ে টার্গেটের কর্মীকে গ্রেপ্তারের ঘটনা:
গত সপ্তাহে বর্ডার পেট্রোল এজেন্টরা মিনেসোটার রিচফিল্ডের একটি টার্গেট স্টোর থেকে দুই কর্মীকে আটক করার পর টার্গেট নতুন করে জনসাধারণের সমালোচনার মুখে পড়েছে, যা অভিবাসন প্রয়োগ এবং কর্পোরেট দায়বদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক পুনরায় শুরু করেছে। সেলফোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, এজেন্টরা একজন দোকান কর্মীকে জাপটে ধরে একটি এস.ইউ.ভি.-তে ধাক্কা দিয়ে তুলছে। এর আগে ওই কর্মী ও অন্য একজন এজেন্টদের ভিডিও করছিল এবং তাদের মধ্যে একজন এজেন্টদের উদ্দেশে খারাপ কথা বলছিল।
আটককৃত কর্মী বারবার নিজেকে মার্কিন নাগরিক দাবি করে চিৎকার করে বলতে থাকে, "আমি একজন মার্কিন নাগরিক! মার্কিন নাগরিক! মার্কিন নাগরিক!" এই ঘটনা রিচফিল্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, কেউ কেউ দোকানে কেনাকাটা করা চালিয়ে যাওয়া উচিত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভিডিওটি দেখা একজন ক্রেতা ডিয়ান্তনি জোনস বলেন, "এটা ভয়ংকর। আমার সম্ভবত এখানে আসা এবং তাদের আমার টাকা দেওয়া উচিত না।"
এই ঘটনাটি বিতর্কের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সংযোজন, যা টার্গেটকে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করেছে। বিভিন্ন ইস্যুতে অবস্থান নেওয়ার জন্য বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতাটি চাপের মধ্যে রয়েছে, যার ফলে প্রায়শই এর পণ্য বয়কট ও বিক্ষোভের শিকার হতে হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে, টার্গেটের নেতারা আবেগপূর্ণ আবেদনে সাড়া দিয়েছেন এবং এর স্টোরগুলি ভাইরাল ভিডিওর জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, কারণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিক্ষোভকারীরা সংস্থাটিকে বিভিন্ন বিষয়ে অবস্থান নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।
বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া নিরীক্ষণের মাধ্যমে জনমতের বিশ্লেষণে এআই-এর ক্রমবর্ধমান ব্যবহার সংস্থা এবং সক্রিয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে রিচফিল্ডের ঘটনার মতো বিষয়ে জনগণের প্রতিক্রিয়া দ্রুত মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে। এআই অ্যালগরিদমগুলো টুইটার এবং ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রচুর পরিমাণে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে আলোচনার মূল বিষয়গুলো চিহ্নিত করতে, কথোপকথনের সামগ্রিক সুর মূল্যায়ন করতে এবং মূল প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে পারে। এই তথ্যগুলো বার্তা প্রচার, বিক্ষোভ সংগঠিত করা বা জনসাধারণের চাহিদা অনুযায়ী সাড়া দিতে কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। সমাজের জন্য এর প্রভাবগুলোর মধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যাগুলোর চারপাশে আরও দ্রুত এবং ব্যাপক সমাবেশের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে কারসাজি এবং ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকিও রয়েছে।
টার্গেট এখনো এই ঘটনা সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি। কোম্পানির প্রতিক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়াহীনতা সম্ভবত জনসাধারণের ধারণাকে আরও প্রভাবিত করবে এবং সম্ভবত এর ব্যবসাকে প্রভাবিত করবে। পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল এবং আরও তথ্য পাওয়া গেলে এবং সম্প্রদায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকলে আরও অগ্রগতি প্রত্যাশিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment