অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল ইসলামের মতে, গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনায় পশ্চিমা মিত্ররা বিরোধিতা করলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার যে কথিত হুমকি দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন। শনিবার প্রকাশিত হওয়া এই কথিত হুমকিকে দেশটির ঘনিষ্ঠ মিত্রদের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ হিসেবে দেখা হচ্ছে, এমনটাই জানান ইসলাম।
ইসলাম এই পদক্ষেপকে সামান্য সতর্কবার্তায় মিত্রদের লক্ষ্যবস্তু বানানো হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং এর কারণস্বরূপ তিনি বলেন, এটি সম্ভবত ন্যাটো এবং পশ্চিমা জোটকে ভেঙে ফেলতে পারে। তিনি আরও বলেন, লক্ষ্যবস্তু হওয়া দেশগুলোর কর্মকর্তারা প্রস্তাবটির অদ্ভুত প্রকৃতি দেখে ক্ষুব্ধ হওয়ার চেয়ে হতবাক হতে পারেন।
একটি মিত্র দেশের ভূমি অধিগ্রহণের ধারণাটি এতটাই অবিশ্বাস্য যে অনেকে বিশ্বাস করতে দ্বিধা বোধ করছেন যে এমন হুমকি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা যেতে পারে, এমনটাই উল্লেখ করেন ইসলাম। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ট্রাম্পের কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে, কংগ্রেস এবং তার নিজের প্রশাসনের মধ্যে, এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন আছে?
এই ঘটনাটি গত এক বছরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আসা ধারাবাহিক অপ্রচলিত অর্থনৈতিক হুমকির ধারাবাহিকতাকে অনুসরণ করে, তবে ইসলাম মনে করেন এই সর্বশেষ ঘটনাটি उन সবগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে, যা তিনি "অবাস্তব এবং সম্পূর্ণ বিপজ্জনক অঞ্চল" হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অধিগ্রহণ একটি পুনরাবৃত্তিমূলক বিষয়, যেখানে ট্রাম্প ডেনমার্কের এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা যায়। ডেনমার্ক ধারাবাহিকভাবে এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে। পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment