মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, কয়েকশ' সক্রিয় সেনাসদস্যকে সম্ভাব্য মিনেসোটা প্রদেশে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নতুন হুমকি এবং ইসরায়েলের ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিস নিয়ে আপত্তির কারণে ইউরোপজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, মিনেসোটায় সম্ভাব্য এই সেনা মোতায়েন চলমান নাগরিক অস্থিরতার প্রতিক্রিয়ায় হতে পারে, যদিও অস্থিরতার প্রকৃতি এবং সৈন্যদের সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কে নির্দিষ্ট বিবরণ এখনও স্পষ্ট নয়। পেন্টাগন এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেনি, তারা এটিকে অপারেশনাল নিরাপত্তার বিষয় বলছে।
ড্যানমার্ক রাজ্যের মধ্যে একটি স্ব-শাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের নতুন করে আগ্রহ কূটনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। তার "হুমকি"-র সুনির্দিষ্ট বিষয় এখনও সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ্যে না এলেও, জানা গেছে যে এর মধ্যে অর্থনৈতিক চাপ এবং দ্বীপের উপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন গ্রিনল্যান্ড কেনার জন্য ট্রাম্পের আগের আগ্রহের প্রতিধ্বনি, যা ডেনমার্ক প্রত্যাখ্যান করেছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আর্কটিক সম্পদ এবং ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের সাথে সম্পর্কিত কৌশলগত বিবেচনার দ্বারা এই নতুন আগ্রহ চালিত হতে পারে।
ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোটার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ডঃ Anya Sharma বলেন, "এটি একটি উদ্বেগের বিষয় যা এই অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে। ট্রাম্পের পদক্ষেপ অপ্রত্যাশিত এবং ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের জন্য গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।"
এদিকে, ইসরায়েল ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিস-এর গঠন এবং কাজের পরিধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শোনা যাচ্ছে, এই নবগঠিত সংস্থাটির লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চুক্তি brokering করা। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বোর্ডের অনুভূত পক্ষপাতিত্ব এবং মূল স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শের অভাব নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, "আমরা মনে করি যে কোনও শান্তি উদ্যোগ অবশ্যই অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বৈধ উদ্বেগকে সমাধান করতে হবে।"
এই ঘটনাগুলির বর্তমান অবস্থা এখনও পরিবর্তনশীল। মিনেসোটায় সম্ভাব্য সেনা মোতায়েন মাঠের পরিস্থিতির আরও উন্নয়নের উপর নির্ভরশীল। গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে উত্তেজনা নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে এবং ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিস-এর গঠন ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment