প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে প্রথম বছর পূর্তিতে বেকারত্বের হার কম, ভোক্তা ব্যয় শক্তিশালী এবং মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে, যা তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মতোই দেখাচ্ছে। প্রাথমিক আশঙ্কা সত্ত্বেও, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক এজেন্ডার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শুল্ক, কোনো উৎপাদন শিল্পের জোয়ার তৈরি করেনি বা মুদ্রাস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়নি। বছরটিতে শেয়ার বাজার ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্লেষকদের দ্বারা স্থিতিশীল কিন্তু খুব বেশি উল্লেখযোগ্য নয় বলে বর্ণিত হয়েছে।
২০২৫ সালের শুরুতে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা বিশ্লেষকরা বছরের শেষে মার্কিন অর্থনীতির অপ্রত্যাশিত স্থিতিস্থাপকতার ওপর আলোকপাত করেছেন। তবে, বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের নীতির সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বাতিল না করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
তাঁর প্রথম মেয়াদের বিপরীতে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় দলের দ্বারা ঐতিহ্যগতভাবে আমেরিকান অর্থনৈতিক শক্তির ভিত্তি হিসাবে বিবেচিত প্রতিষ্ঠান এবং নীতিগুলির প্রতি আরও আক্রমণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে। এর মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা দুর্বল করার প্রচেষ্টা এবং ব্যুরো প্রধানকে বরখাস্ত করা অন্তর্ভুক্ত।
এই চ্যালেঞ্জগুলির মুখে মার্কিন অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা কিছু পর্যবেক্ষককে অবাক করেছে। তবে, এই পদক্ষেপগুলির দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি এখনও অনিশ্চিত, এবং অর্থনীতিবিদরা ট্রাম্পের নীতিগুলির স্থায়ী প্রভাব মূল্যায়ন করতে মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান হার এবং বিনিয়োগ প্রবণতার মতো মূল সূচকগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment