করাচির গুল প্লাজা শপিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একজন ফায়ারফাইটারসহ কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার গভীর রাতে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়, যা গত এক দশকের মধ্যে শহরের সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে, তাই উদ্ধার কাজ এখনও চলছে।
তিনতলা বাণিজ্যিক ভবনটিতে ১,২০০-এর বেশি দোকান ছিল এবং আগুন পুরো ভবন গ্রাস করে। আগুন পুরোপুরি নেভাতে ফায়ারফাইটারদের ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। তীব্র তাপের কারণে ভবনের কিছু অংশ ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপ ও কম দৃশ্যমানতার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়।
নগর কর্তৃপক্ষ কাঠামোগত ক্ষতির মূল্যায়ন করছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত চলছে। এই ঘটনা করাচির বাণিজ্যিক ভবনগুলোর নিরাপত্তা বিধিবিধান নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
গুল প্লাজা করাচির একটি প্রধান শপিং গন্তব্য। এই অগ্নিকাণ্ড শহরের বিল্ডিং নিরাপত্তা এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো তুলে ধরেছে। ২০১২ সালের করাচির একটি কারখানায় আগুন লাগার ঘটনায়, যেখানে এটিকে অগ্নিসংযোগ হিসেবে রায় দেওয়া হয়েছিল, দুই ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যা অতীতের ঘটনাগুলোর ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে।
সম্ভবত কর্তৃপক্ষ বিল্ডিং কোড এবং এর প্রয়োগ পর্যালোচনা করবে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তার দিকে এখন মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনা ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা প্রতিরোধের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment