"অ্যানথ্রোপোজেনিক ইনফ্লুয়েন্সেস অন মেজর ট্রপিক্যাল সাইক্লোন ইভেন্টস" শীর্ষক একটি গবেষণা প্রবন্ধের জন্য নেচার একটি লেখকীয় সংশোধনী জারি করেছে, যা মূলত ১৪ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছিল। সংশোধনীটি লেখিকা ক্রিস্টিনা এম. প্যাট্রিকোলা-ডি রোজারিওর নামের পদবিতে একটি ত্রুটি সংশোধন করে, যা মূলত "প্যাট্রিকোলা" হিসাবে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রবন্ধটির HTML এবং PDF উভয় সংস্করণেই এই সংশোধনী কার্যকর করা হয়েছে।
ক্রিস্টিনা এম. প্যাট্রিকোলা-ডি রোজারিও এবং মাইকেল এফ. ওয়েহনারের লেখা এই গবেষণা, যারা লরেন্স বার্কলে ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির জলবায়ু এবং ইকোসিস্টেম সায়েন্সেস বিভাগ এবং কম্পিউটেশনাল রিসার্চ বিভাগের সাথে যুক্ত, মানব কার্যকলাপের কারণে প্রধান ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের উপর প্রভাব অনুসন্ধান করে। এই গবেষণাটি জলবায়ু এবং পৃথিবীর সিস্টেম মডেলিং ব্যবহার করে এই প্রভাবগুলির অভিক্ষেপ এবং পূর্বাভাস দেয়।
ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়, যা অঞ্চলভেদে হারিকেন বা টাইফুন নামেও পরিচিত, শক্তিশালী ঘূর্ণায়মান ঝড় যা উষ্ণ সমুদ্রের জলের উপরে তৈরি হয়। জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন এবং অভিযোজন কৌশলগুলির জন্য তাদের তীব্রতা এবং ফ্রিকোয়েন্সিতে নৃতাত্ত্বিক বা মানবসৃষ্ট কারণগুলির ভূমিকা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু মডেল হল জটিল কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা পৃথিবীর জলবায়ু সিস্টেমকে অনুকরণ করে, যা বিজ্ঞানীদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের বিভিন্ন স্তরের উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিস্থিতি অনুমান করতে দেয়। এই মডেলগুলি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলির উপর জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাবগুলি মূল্যায়নের জন্য অপরিহার্য সরঞ্জাম।
সংশোধনীটি মূল গবেষণার ফলাফল বা সিদ্ধান্তে কোনও পরিবর্তন করে না। এটি শুধুমাত্র লেখকের নামের একটি প্রকৃত ত্রুটি সংশোধন করে। নেচারের সম্পাদকীয় মান অনুযায়ী, প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক সাহিত্যের নির্ভুলতা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করার জন্য সংশোধনী জারি করা হয়। জলবায়ু বিজ্ঞানের মতো ক্ষেত্রগুলিতে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে গবেষণার ফলাফল নীতি সিদ্ধান্ত এবং জনগণের উপলব্ধিকে প্রভাবিত করে।
সংশোধিত প্রবন্ধটি এখন নেচারের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এই গবেষণার উপর নির্ভরশীল গবেষক এবং নীতিনির্ধারকদের নিশ্চিত করা উচিত যে তারা আপডেটেড সংস্করণটি উল্লেখ করছেন। মূল প্রবন্ধটি DOI: https://doi.org/10.1038/s41586-018-0673-2 এই লিঙ্কে পাওয়া যাবে। প্রবন্ধটির সংশ্লিষ্ট লেখক হলেন ক্রিস্টিনা এম. প্যাট্রিকোলা-ডি রোজারিও।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment