ড্যাভোসে দেওয়া ভাষণে কার্নি সম্ভাব্য "ভূ-রাজনৈতিক বিভাজন" নিয়ে সতর্ক করার একদিন পর এই মন্তব্যগুলো আসে। যদিও ট্রাম্প কোন নীতিগুলোকে বিশেষভাবে "ফ্রিবি" হিসেবে বিবেচনা করেছেন তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা চুক্তি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বিষয় হয়ে আছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্য সম্পর্কগুলোর মধ্যে একটির অংশীদার। এই দুটি দেশ উত্তর আমেরিকান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (NAFTA)-এরও অংশীদার, যা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি (USMCA) নামে পরিচিত এবং এই তিনটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিচালনা করে। USMCA, যা ২০২০ সালে কার্যকর হয়, NAFTA-কে হালনাগাদ করেছে এবং এতে শ্রম, পরিবেশগত মান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি সম্পর্কিত বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখনো পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্যের আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, কার্নির আগের মন্তব্য, যেখানে তিনি বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন, সম্ভবত ট্রাম্প প্রশাসন এটিকে তাদের "আমেরিকা ফার্স্ট" পররাষ্ট্রনীতির সরাসরি সমালোচনা হিসেবে ধরে নিয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিবৃতির বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করতে রাজি হয়নি, তবে কানাডার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে আসন্ন সপ্তাহগুলোতে চলমান বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা বিষয়গুলো নিয়ে আরও আলোচনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment