যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ধর্মীয় নেতারা, বিশেষ করে মিনেসোটায়, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE)-এর কার্যকলাপের প্রতিক্রিয়ায় ক্রমবর্ধমানভাবে প্রকাশ্য বিক্ষোভ এবং পর্দার আড়ালে সংগঠনে জড়িত হচ্ছেন। এই ধর্মীয় সক্রিয়তার উত্থান ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাপক নির্বাসন কর্মসূচির অধীনে ICE এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (DHS) কার্যক্রম বৃদ্ধির ফলস্বরূপ।
অনেক ধর্মযাজক বর্তমান পরিস্থিতিকে নৈতিক স্বচ্ছতা এবং প্রতিরোধের দাবিতে একটি মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন, যা তাদের ক্ষতিগ্রস্থ সম্প্রদায়গুলোকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করতে উৎসাহিত করছে। ৮ই জানুয়ারি মিনিয়াপলিসে কমিউনিটির ধর্মীয় নেতাদের দ্বারা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় মন্ত্রী জানায়ে ইমারি কাজ করার নৈতিক বাধ্যবাধকতার উপর জোর দেন। তবে, বিভিন্ন মণ্ডলী এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রতিক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন।
ICE-এর এই বর্ধিত কার্যকলাপের কারণ হল ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি, যেখানে অপরাধমূলক রেকর্ড নেই এমন অভিবাসীদেরও নির্বাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই নীতিগুলোর কারণে অভিবাসী সম্প্রদায়ের উপর নজরদারি এবং অভিযানসহ প্রয়োগমূলক ব্যবস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী যেখানে এই নীতিগুলোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে এবং নির্বাসনের সম্মুখীন হওয়া অভিবাসীদের আশ্রয় দিয়েছে, সেখানে অন্যরা আরও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে, যা ধর্মীয় শিক্ষার বিভিন্ন ব্যাখ্যা এবং ঝুঁকির মাত্রার ভিন্নতাকে প্রতিফলিত করে। এই ভিন্নতা অভিবাসন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রতিক্রিয়াগুলোর জটিল এবং বহুমাত্রিক প্রকৃতিকে তুলে ধরে।
এই পরিস্থিতি এখনও চলছে, যেখানে ধর্মীয় নেতারা তাদের মণ্ডলীর মধ্যে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণগুলোর প্রতি মনোযোগ রেখে অভিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য ওকালতি করার ক্ষেত্রে নিজেদের ভূমিকা পালন করে চলেছেন। অভিবাসন নীতি এবং প্রয়োগের উপর এই বর্ধিত ধর্মীয় সম্পৃক্ততার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনও দেখার বিষয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment