এখানে প্রদত্ত উৎস থেকে তথ্য একত্রিত করে একটি সংবাদ নিবন্ধ দেওয়া হলো:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংঘাতের জন্য বিশ্ব প্রস্তুত হচ্ছে
এনপিআর পলিটিক্স অনুসারে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সতর্ক করে বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো আক্রমণ "আঞ্চলিক যুদ্ধ" শুরু করবে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এই সতর্কতা এমন সময়ে এসেছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে, এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই পদক্ষেপ দুটি দেশের মধ্যে ধারাবাহিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এসেছে। সম্ভাব্য এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অন্যান্য খবরে, ইউরোনিউজ অনুসারে, ২ ফেব্রুয়ারি গ্রাউন্ডহগ ডে পালিত হয়েছে, যেখানে পানক্সসুটাউনি ফিল আরও ছয় সপ্তাহ শীত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে। ১৮৮৭ সাল থেকে চলে আসা এই বার্ষিক ঐতিহ্যটি পেনসিলভেনিয়ার গবলার্স নবে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেয়। ফিল তার ছায়া দেখেছিল কিনা তার ওপর ভিত্তি করে হ্যান্ডলাররা তার রায় অনুবাদ করেন।
ইউরোনিউজ জানিয়েছে, প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর ২ ফেব্রুয়ারি গাজা ও মিশরের মধ্যে রাফাহ ক্রসিং আংশিকভাবে খোলা হয়েছে। এই খোলার ফলে সীমিত আকারে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে এবং ফিলিস্তিনিরা ফিরতে পেরেছেন। মিশর ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এই পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ার অংশ, এবং প্রাথমিক দিনগুলোতে উভয় দিক থেকে প্রায় ৫০ জন করে মানুষ পারাপার হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন মিশরীয় দিক থেকে অ্যাম্বুলেন্স এবং মাইক্রোবাস প্রবেশ করতে দেখিয়েছে।
আর্স টেকনিকা জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি আদালত সমস্ত মার্কিন অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ নির্মাণ পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। এই রায় ট্রাম্প প্রশাসনের একটি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেছে, যা অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ এবং কিছু স্থল-ভিত্তিক প্রকল্পের অনুমতি আটকে রেখেছিল। আদালত এই আদেশকে "স্বেচ্ছাচারী এবং খেয়ালখুশিমাফিক" বলে মনে করেছে। প্রশাসন ইতিমধ্যে নির্মাণাধীন পাঁচটি অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল।
ফরচুন জানিয়েছে, অনেক নিয়োগকর্তা ২০২৬ সালে মেধা-ভিত্তিক বেতন বৃদ্ধির পরিবর্তে "পিনাট বাটার রাইজ" বিবেচনা করছেন। একটি Payscale রিপোর্ট অনুসারে, প্রায় ৪৪% নিয়োগকর্তা অভিন্ন, সামগ্রিক বেতন বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছেন। প্রায় ১৬% সংস্থা নতুন করে এই বেতন কৌশল বাস্তবায়ন করছে, যেখানে ৯% ইতিমধ্যে এটি ব্যবহার করছে এবং আরও ১৮% এই বছর এটি বিবেচনা করছে। প্রায় ৫৬% সংস্থা যারা তাদের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে, তারা এই পদ্ধতি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment