এল পাসো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আকাশসীমা মঙ্গলবার রাতে, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যা পরে কয়েক ঘণ্টা পর পুনরায় খোলা হয়, এনপিআর নিউজ অনুসারে। প্রথমে দশ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলেও, পেন্টাগনের অনুমোদনক্রমে একটি মেক্সিকান ড্রোনকে ভূপাতিত করার জন্য লেজার ব্যবহারের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যেমনটি এনপিআর নিউজ-এ জানানো হয়েছে। এই ঘটনাটি প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, অনেকে জানতে চান কেন হঠাৎ করে বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হলো।
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়, যার ফলে ভ্রমণকারীদের সাময়িক অসুবিধা হয়। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তোলা ছবিতে দেখা যায়, বিমানবন্দরের চেক-ইন কাউন্টারে লোকেরা সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষা করছে। ড্রোনটির সঠিক প্রকৃতি এবং এটি কী ধরনের হুমকি সৃষ্টি করেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট ছিল না।
সরকার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে এই ঘটনাটি ঘটে। টাইম-এর খবর অনুযায়ী, আইনপ্রণেতারা সতর্ক করেছিলেন যে অর্থ বরাদ্দের সময়সীমা শেষ হওয়ার কারণে বিমানবন্দরে বিলম্ব হতে পারে। পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসনের (টিএসএ) ভারপ্রাপ্ত প্রধান জনসাধারণকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) দীর্ঘমেয়াদী অচলাবস্থা হলে অধিকাংশ টিএসএ অফিসার বেতন ছাড়াই কাজ চালিয়ে যাবেন, যা দেশব্যাপী ৪৩০টির বেশি বাণিজ্যিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দেবে। টাইম-এর মতে, টিএসএ প্রশাসক হং নিউয়েন ম্যাকনিল বলেন, "অর্থের অভাব এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনার অনিশ্চয়তা আমাদের প্রত্যাশিত মানের নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে, যা আমেরিকানরা পাওয়ার যোগ্য।"
এল পাসোর পরিস্থিতি আকাশপথের নিরাপত্তার জটিলতা এবং অপ্রত্যাশিত বিঘ্ন ঘটানোর সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। ভক্স-এর মতে, বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়ার পরেও বন্ধের কারণটি কিছুটা রহস্যজনক ছিল। এই ঘটনাটি সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সুস্পষ্ট যোগাযোগ এবং সমন্বয়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়, বিশেষ করে নিরাপত্তা উদ্বেগের সময়।
Discussion
AI Experts & Community
Be the first to comment