শনিবারের প্রথম দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসনের নির্দেশ দেন। মার্কিন বিচার বিভাগ দ্রুত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ আনে। অভিযোগে তাদের "মাদক পাচার এবং নারকো-সন্ত্রাস ষড়যন্ত্রের" অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই সামরিক পদক্ষেপ এবং অভিযোগগুলো মার্কিন মাদক যুদ্ধের একটি নাটকীয় বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করে।
২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি দ্রুত এই ঘটনাগুলো ঘটে। মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলায় প্রবেশ করে মাদুরো এবং ফ্লোরেসকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়। তাদের তাৎক্ষণিকভাবে হেফাজতে নেওয়া হয়। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে ট্রাম্পের বাসভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের পর এই ঘোষণা আসে।
এই পদক্ষেপটি বিতর্কের মধ্যে ঘটেছে। ট্রাম্প সম্প্রতি মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের মুক্তি দিয়েছেন বা ক্ষমা করেছেন। এর মধ্যে হন্ডুরাসের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিও রয়েছেন, যা মার্কিন মাদক নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে বিবাদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদুরোর সমাজতান্ত্রিক সরকার দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্ব নেতাদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া শীঘ্রই প্রত্যাশিত। ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment