ডেলসি রদ্রিগেজ, যিনি পূর্বে ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিযানের পর অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হয়েছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনী তার পূর্বসূরিকে বন্দী করে জোরপূর্বক অপসারণ করেছে। এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি চিহ্নিত করে।
রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার সরকারের বিভিন্ন স্তরে উন্নীত হয়েছেন, এবং তিনি তার আক্রমণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত। ২০১৪ সালে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন, তিনি আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে সরকারের পক্ষ সমর্থন করেন। বিক্ষোভের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রদূতের মুখোমুখি হয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তার আচরণকে আক্রমণাত্মক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বলে বর্ণনা করেছেন। তার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, ওবামা প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ এবং রদ্রিগেজের নতুন ভূমিকা আন্তর্জাতিক নিন্দার সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপের বৈধতা এবং এর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পদক্ষেপটি অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করতে পারে।
ভেনেজুয়েলা বর্তমানে চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। দেশটি তার মানবাধিকার রেকর্ডের কারণে ব্যাপক বিক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক তদন্তের শিকার হয়েছে। ক্ষমতার শূন্যতা আরও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরবর্তী ঘটনাবলীর জন্য অপেক্ষা করছে। সংকট নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment