ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগী স্টিফেন মিলার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি এবং ডেনমার্কের এই আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের উপর ডেনমার্কের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যা ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সিএনএন-এ দেওয়া মিলারের বক্তব্যে গ্রিনল্যান্ডের উপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এবং সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি অনুসারে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে "গ্রিনল্যান্ডের যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়া উচিত"।
সোমবার করা এই মন্তব্যগুলি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য ট্রাম্পের আগ্রহ নিরুৎসাহিত করতে প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের বছরব্যাপী প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিয়েছে, ইউরোপের কূটনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের মতে। ফ্রেডেরিকসেন এর আগে গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের আগ্রহকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলেন, কিন্তু মিলারের বক্তব্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং ইউরোপীয় নেতারা আলোচনার একটি কৌশল বিবেচনা করতে উৎসাহিত হয়েছেন।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, যা ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ধারণাটি নতুন নয়; প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ১৯৪৬ সালে দ্বীপটি কেনার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছিলেন। গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সম্পদ দীর্ঘদিন ধরে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে।
ডেনমার্ক সরকার ধারাবাহিকভাবে জানিয়ে আসছে যে গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। গ্রিনল্যান্ড একটি উচ্চ স্তরের স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে, নিজস্ব সংসদ ও সরকার রয়েছে, যদিও ডেনমার্ক এর পররাষ্ট্র নীতি ও প্রতিরক্ষা পরিচালনা করে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় নেতারা তাদের বিকল্পগুলি বিবেচনা করছেন, যেখানে আলোচনাকে ভবিষ্যতের জন্য পছন্দের পথ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। সম্ভাব্য আলোচনার বিশদ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট, এবং মার্কিন সরকার গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। স্টেট ডিপার্টমেন্ট এখনও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment