নোবেল ইনস্টিটিউট পূর্বে স্পষ্ট করে জানিয়েছিল যে, মাচাদো ট্রাম্পকে পুরস্কারটির মালিকানা হস্তান্তর করতে পারবেন না, যে পুরস্কারটি তিনি প্রকাশ্যে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। এই কাজ মূলত একটি প্রতীকী বিষয়, বিশেষ করে ট্রাম্পের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে আলোচনার দিকে ঝুঁকে থাকার প্রেক্ষাপটে।
মাচাদো, যিনি মাদুরো শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের প্রতিরোধের প্রতীক, ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রচারে তার অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন সরকার পূর্বে মাচাদোকে সমর্থন করেছিল এবং তাকে ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। তবে, সাম্প্রতিক সাক্ষাৎ এবং পদক হস্তান্তর ভেনেজুয়েলার প্রতি পরিবর্তিত মার্কিন নীতির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান অবস্থান একটি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির দিকে ঝুঁকে আছে বলে মনে হচ্ছে, যা বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজের সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরিবর্তন কিছু পর্যবেক্ষকের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যারা মনে করেন এটি ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকে দুর্বল করতে পারে।
ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে মাচাদো এবং ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠকটি মার্কিন কর্মকর্তা এবং ভেনেজুয়েলার সরকারের প্রতিনিধিদের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনার পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকের ভবিষ্যৎ প্রভাব এবং প্রতীকী অঙ্গভঙ্গি এখনও দেখার বিষয়, কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তার সম্পর্ক বজায় রাখতে চেষ্টা করছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment