নিউ ইংল্যান্ডের ৬৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে জ্বর, কাশি এবং ডান চোখে দৃষ্টি সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, তিনি একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট গুরুতর সংক্রমণে আক্রান্ত। একটি কেস রিপোর্টে বলা হয়েছে, লোকটির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তার মস্তিষ্কসহ একাধিক অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
রোগী জানান, হাসপাতালে ভর্তির প্রায় তিন সপ্তাহ আগে তিনি খারাপ মাংস খেয়েছিলেন বলে মনে করেন এবং এর ফলে দুই সপ্তাহ ধরে বমি ও ডায়রিয়ায় ভুগছিলেন। প্রাথমিকভাবে সেই উপসর্গগুলো কমে গেলেও পরবর্তীতে তার কাশি, শীত শীত ভাব এবং জ্বর হয়, যা ক্রমশ বাড়তে থাকে।
হাসপাতালে পরীক্ষার পর এক্স-রে এবং কম্পিউটেড টমোগ্রাফি (সিটি) স্ক্যানে তার ফুসফুসে ১৫টির বেশি গুটি ও পিণ্ড এবং লিভারে ৮.৬ সেন্টিমিটারের একটি পিণ্ড ধরা পড়ে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় সংক্রমণ ধরা পড়লে ডাক্তাররা তাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। শ্বাসকষ্টের জন্য তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয় এবং অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করা হয়।
ব্যাকটেরিয়ার হাইপারভিরুলেন্ট স্ট্রেইনগুলো বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে সুস্থ ব্যক্তিদেরও গুরুতর অসুস্থ করতে পারে। এই স্ট্রেইনগুলোর প্রায়শই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এড়ানোর এবং টিস্যুর ক্ষতি করার উন্নত কৌশল থাকে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে এই ক্ষেত্রে জড়িত নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি, তবে সঠিক প্যাথোজেন এবং এর উৎস নির্ধারণের জন্য আরও তদন্ত চলছে।
[হাসপাতাল/প্রতিষ্ঠানের] সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ [নাম] ব্যাখ্যা করেছেন যে "হাইপারভিরুলেন্ট ব্যাকটেরিয়া একটি উল্লেখযোগ্য হুমকি, কারণ তারা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহজেই পরাস্ত করতে পারে, যার ফলে দ্রুত রোগের বিস্তার ঘটে এবং জীবন-হুমকি সৃষ্টিকারী জটিলতা দেখা দিতে পারে।"
এই ঘটনাটি খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্রমাগত বা খারাপ হতে থাকা উপসর্গের জন্য দ্রুত চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরে। লোকটির প্রাথমিক গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যাগুলো সেরে গেলেও পরবর্তী শ্বাসযন্ত্র এবং পদ্ধতিগত উপসর্গগুলো একটি গুরুতর অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দেয়।
রোগীর বর্তমান অবস্থা এবং রোগ নির্ণয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। মেডিকেল পেশাদাররা জড়িত নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া সনাক্ত করতে এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদানের জন্য কাজ করছেন। এই ঘটনাটি উদীয়মান সংক্রামক রোগগুলোর সম্ভাব্য বিপদ এবং চলমান নজরদারি ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment