ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সম্প্রতি বিক্ষোভের সময় হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। হতাহতের এই ব্যাপকতার প্রথম প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি এটি। শনিবার এক ভাষণে খামেনি এই মৃত্যুর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন।
অর্থনৈতিক অসন্তোষের জেরে ২৮ ডিসেম্বর বিক্ষোভ শুরু হয়। দ্রুতই তা খামেনির শাসনের অবসানের দাবিতে রূপ নেয়। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ইরানি মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা (HRANA) আনুমানিক ৩,০৯০ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে। অধিকারকর্মী গোষ্ঠীগুলোর ধারণা, মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তথ্য প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকলে তিনি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। ইরান সরকার এই বিক্ষোভকে শত্রুদের দ্বারা সমর্থিত "দাঙ্গা" হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করেছে। বিবিসি পার্সিয়ান কর্তৃক যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায় নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে।
এই বিক্ষোভের সূত্রপাত অর্থনৈতিক দুর্দশা থেকে। এটি ইরানের নেতৃত্বের প্রতি বৃহত্তর অসন্তোষের প্রতিফলন। সরকারের প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দিত হয়েছে।
আরও উন্নয়নের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সম্ভবত ইরানের ওপর চাপ বাড়াবে। পরিস্থিতি এখনও অস্থির।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment