জাপানের ইয়োকোহামার মেয়র takeover Yamanaka এই সপ্তাহে একটি বড় ধাক্কা খেয়েছেন। কর্মক্ষেত্রে হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর তাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে। জাপানি রাজনীতির শান্ত জগতে এটি একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ইয়োকোহামা এইচআর প্রধান জুন কুবোটা whistle বাজিয়ে অভিযোগ করেছেন যে ইয়ামানাকা শহরের কর্মীদের "ইডিয়ট" এবং "মানুষরূপী আবর্জনা"-এর মতো শব্দ ব্যবহার করেছেন। এই মৌখিক আক্রমণ একজন অভিজ্ঞ কোচকেও লজ্জিত করবে।
বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ সম্মেলনে কুবোটা অভিযোগ করেন যে মেয়র Yamanaka-র কাজকর্ম শুধুমাত্র উৎসাহমূলক বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ইয়ামানাকার বিরুদ্ধে কর্মকর্তাদের "অকেজো", "বোকা" এবং "নিম্নমানের" বলার অভিযোগ আনা হয়েছে। এমনকি তাদের চেহারা নিয়ে সমালোচনা করা এবং পশুদের সাথে তুলনা করার অভিযোগও রয়েছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে যখন ইয়ামানাকা कथितভাবে কুবোটাকে "সেপ্পুকু" করার হুমকি দেন, যা জাপানি রীতি অনুযায়ী আত্মহত্যা।
ইয়ামানাকা প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করে আত্মপক্ষ সমর্থন করার চেষ্টা করেন এবং এই অভিযোগগুলোকে গুরুত্ব দেননি। তবে, ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে এবং সমালোচনার ঝড়ের মধ্যে, তিনি অবশেষে কিছু অভিযোগ স্বীকার করেন। ইয়ামানাকা বলেন, "আমি কর্মীদের পরিচালককে মানসিক চাপের মধ্যে ফেলার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।"
এই পরিস্থিতি অনেকটা একজন তারকা কোয়ার্টারব্যাকের অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের জন্য মাঠ থেকে বহিষ্কার হওয়ার মতো, যা জাপানের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বিরল এবং সম্ভাব্য ক্যারিয়ার-পরিবর্তনকারী ঘটনা। একজন কর্মরত শহর কর্মকর্তার একজন ক্ষমতাসীন মেয়রকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করা খুবই অস্বাভাবিক, যা কুবোটার পদক্ষেপকে একটি ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে, যার সম্ভাব্য পরিণতি অনেক বড় হতে পারে।
এই ঘটনাটি জাপানি রাজনীতিতে কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি এবং জবাবদিহিতা নিয়ে একটি বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে নিয়মের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। যদিও ইয়ামানাকা ক্ষমা চেয়েছেন, তবে তার কর্মজীবনের উপর এবং ইয়োকোহামা শহরের উপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনও দেখার বিষয়। আগামী কয়েক সপ্তাহ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শহরটি এই সংকট মোকাবেলা করছে এবং এটি নির্ধারণ করবে যে ইয়ামানাকা তার দল এবং জনগণের আস্থা ফিরে পেতে পারবেন কিনা, নাকি তাকে স্থায়ীভাবে মাঠের বাইরে থাকতে হবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment