উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনি ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত সরকারি ফলাফল অনুযায়ী তার সপ্তম মেয়াদে জয়লাভ করেছেন, যা তার শাসনকালকে চার দশকে প্রসারিত করেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মুসেভেনি প্রায় ৭২% ভোট পেয়েছেন।
তবে বিরোধী প্রার্থী ববি ওয়াইন এই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ করেছেন এবং এটিকে "ভুয়া" বলে অভিহিত করেছেন। ওয়াইন তার সমর্থকদের ফলাফলContest করার জন্য অহিংস street protest-এ জড়িত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে ওয়াইন বলেন, "উগান্ডার জনগণকে rob করা হয়েছে।"
মুসেভেনি ১৯৮৬ সাল থেকে ক্ষমতায় আছেন, তার শাসনামলে উগান্ডায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা পরিলক্ষিত হয়েছে, তবে তার মেয়াদ কর্তৃত্ববাদ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে চিহ্নিত হয়েছে। সমালোচকরা রাজনৈতিক স্বাধীনতার উপর বিধিনিষেধ, ভিন্নমতের দমন এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতার অভাবের দিকে ইঙ্গিত করেন।
সরকার কর্তৃক আরোপিত ইন্টারনেট শাটডাউনের মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে এটি misinformation-এর বিস্তার রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। তবে বিরোধী নেতারা এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই শাটডাউনকে communication stifled করার এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার scrutiny প্রতিরোধ করার একটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা হিসাবে নিন্দা করেছেন। "Misinformation"-এর জন্য social media monitoring-এ AI-এর ব্যবহারও বিরোধের একটি কারণ ছিল, যেখানে algorithms-এর potential bias এবং legitimate political discourse-এর suppression নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। AI algorithms, বিপুল পরিমাণ data process করতে সক্ষম হলেও, এমন datasets-এর উপর trained, যা বিদ্যমান societal biases reflect করতে পারে, যার ফলে skewed results আসতে পারে। এটি election monitoring-এর মতো sensitive area-গুলোতে AI-এর deployment নিয়ে ethical questions উত্থাপন করে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের credibility নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং জালিয়াতির অভিযোগের একটি independent investigation-এর আহ্বান জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, "আমরা সকল পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকার এবং আইনি ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে যেকোনো অভিযোগ pursue করার আহ্বান জানাই।"
রাজধানী কাম্পালা এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করার কারণে বর্তমান পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে। সরকার যেকোনো unlawful protest-এর বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। উগান্ডার স্থিতিশীলতা এবং এর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য আগামী কয়েক সপ্তাহ critical হবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে dialogue উৎসাহিত করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment