হোয়াইট হাউস গাজা "বোর্ড অফ পিস"-এর প্রাথমিক সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে, যা ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগের গঠন এবং সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই বোর্ডটি এই অঞ্চলে বিনিয়োগ এবং কূটনীতি সহজতর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, তবে সিনিয়র বোর্ডগুলিতে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিত্বের অনুপস্থিতি পরিকল্পনার বৈধতা এবং কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
কাঠামোতে একটি "প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী বোর্ড" রয়েছে যা উচ্চ-স্তরের বিনিয়োগ এবং কূটনীতির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে এবং একটি "গাজা নির্বাহী বোর্ড" মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। পরবর্তী বোর্ডটি গাজা প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি (NCAG) পরিচালনা করবে, যেখানে ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটরা থাকবেন, যার নেতৃত্বে থাকবেন ডঃ আলী শাথ, একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন মন্ত্রী।
প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী বোর্ডের জন্য ঘোষিত সাত সদস্যের মধ্যে ছয়জন আমেরিকান, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও রয়েছেন। এই গঠনের কারণে সমালোচনা শুরু হয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনাটি পর্যাপ্ত ফিলিস্তিনি ইনপুট ছাড়াই চাপানো একটি ঔপনিবেশিক সমাধানের মতো হতে পারে। সঠিক আর্থিক প্রতিশ্রুতি এবং বিনিয়োগ কৌশল এখনও অস্পষ্ট, তবে বোর্ড গাজায় তহবিল এবং সম্পদ প্রেরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন যে "বোর্ড অফ পিস"-এর সাফল্য ফিলিস্তিনি স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে সমর্থন আদায় এবং গাজার অন্তর্নিহিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করার ক্ষমতার উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করবে। মার্কিন সরকার থেকে উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তি ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি নির্দেশ করে, তবে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিত্বের অভাব এই উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
পরবর্তী পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে বোর্ডগুলির গঠন চূড়ান্ত করা এবং নির্দিষ্ট বিনিয়োগ পরিকল্পনাগুলির রূপরেখা দেওয়া। হোয়াইট হাউস আগামী সপ্তাহগুলিতে অতিরিক্ত সদস্যদের নাম ঘোষণা করবে এবং বোর্ডের ম্যান্ডেট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের বাজার প্রভাব সম্ভবত বিনিয়োগের পরিধি এবং এটি গাজায় স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কতটা বাড়াতে পারে তার উপর নির্ভর করবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment