ইবুপ্রোফেন, একটি সাধারণ ব্যথানাশক, কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে। ২০ জানুয়ারি, ২০২৬-এ প্রকাশিত গবেষণা থেকে জানা যায় যে এর নিয়মিত ব্যবহার জরায়ু এবং অন্ত্রের ক্যান্সারের কম হারের সাথে সম্পর্কিত। বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা দ্বারা পরিচালিত গবেষণাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে ইবুপ্রোফেন প্রদাহ কমায় যা টিউমারের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে ইবুপ্রোফেন ক্যান্সার কোষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জিনগুলোর সাথে হস্তক্ষেপ করে। ওষুধটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাথাব্যথা এবং পেশী ব্যথার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এই ফলাফল ক্যান্সার প্রতিরোধ গবেষণার জন্য একটি সম্ভাব্য নতুন পথ খুলে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে দীর্ঘমেয়াদী ইবুপ্রোফেন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। তারা জোর দিয়েছেন যে এটি প্রমাণিত ক্যান্সার প্রতিরোধের কৌশলগুলোর বিকল্প হওয়া উচিত নয়। ওষুধের প্রভাব সম্পূর্ণরূপে বুঝতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
প্রদাহ ক্যান্সারের বিকাশের একটি মূল কারণ হিসেবে ক্রমশ স্বীকৃত হচ্ছে। ইবুপ্রোফেনের প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এর সুরক্ষামূলক প্রভাবের কারণ হতে পারে। এই আবিষ্কার ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য নতুন এআই-চালিত ওষুধ তৈরিতে নেতৃত্ব দিতে পারে। এআই অ্যালগরিদমগুলো বিশাল ডেটা বিশ্লেষণ করে সেই ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে পারে যারা ইবুপ্রোফেনের সুরক্ষামূলক প্রভাব থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারে, একই সাথে সম্ভাব্য ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারে।
ভবিষ্যতের গবেষণাগুলো সর্বোত্তম ডোজ এবং চিকিৎসার সময়কাল চিহ্নিত করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে। গবেষকরা এআই মডেল তৈরি করার লক্ষ্য রেখেছেন যা ইবুপ্রোফেনের প্রতি পৃথক প্রতিক্রিয়াগুলো অনুমান করতে পারে। এই ব্যক্তিগতকৃত পদ্ধতি ক্যান্সার প্রতিরোধের কৌশলগুলোতে বিপ্লব ঘটাতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment