জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যাকারী তেতসুয়া ইয়ামাগামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নারা জেলা আদালত বুধবার এই রায় ঘোষণা করে, যা চাঞ্চল্যকর অপরাধের তিন বছরের বেশি সময় পরে দেওয়া হল। ইয়ামাগামি ২০২২ সালে নারায় একটি রাজনৈতিক সমাবেশে আবেকে গুলি করে হত্যা করেন।
গত বছর ইয়ামাগামি খুনের দায় স্বীকার করেন। তার আইনজীবী তার কঠিন শৈশব এবং ইউনিফিকেশন চার্চের কারণে তার মায়ের দেউলিয়া হওয়ার কথা উল্লেখ করে নমনীয়তার জন্য যুক্তি দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ামাগামি প্রাক্তন নেতার বিতর্কিত ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে আবেকে লক্ষ্যবস্তু করেছিলেন। আইনজীবীরা ইয়ামাগামির "গুরুতর কাজের" জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দাবি জানান।
আবের হত্যাকাণ্ড জাপানকে হতবাক করে দিয়েছে, যে দেশটি বন্দুক সহিংসতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিম্ন হারের জন্য পরিচিত। এই ঘটনা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা এবং ইউনিফিকেশন চার্চের প্রভাব নিয়ে জাতীয় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্ত এমন একটি মামলার নিষ্পত্তি করবে যা জাপান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
এই হত্যাকাণ্ড জাপানে রাজনৈতিক সহিংসতার বিরল ঘটনাগুলোকে তুলে ধরেছে, যে দেশটি তার কঠোর বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন এবং সামাজিক শৃঙ্খলার জন্য পরিচিত। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিষ্ঠিত ইউনিফিকেশন চার্চ তার তহবিল সংগ্রহের পদ্ধতি এবং পরিবারগুলোর ওপর এর প্রভাবের জন্য সমালোচিত হয়েছে। ইয়ামাগামি এখন এই খুনের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করবেন।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment