এ জানান, তার ২ বছর বয়সী কন্যাশিশুটি ঘরে বন্দী থাকার কারণে কান্নাকাটি এবং জেদ করা বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আরও জানান, তার ১০ বছর বয়সী কন্যাশিশুটি পরিস্থিতি বুঝতে পারছে না। এনপিআর জানিয়েছে, এ deportations এর ভয়ে পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।
ইমিগ্রেশন আইনজীবীরা বলছেন, Twin Cities এ ICE এর উপস্থিতি একটি বৃহত্তর জাতীয় প্রবণতার অংশ। তাদের মতে, কঠোর প্রয়োগ কার্যক্রম অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে, যা শিশুদের নাগরিকত্বের মর্যাদা নির্বিশেষে তাদের সুস্থতার উপর প্রভাব ফেলছে। এই আইনজীবীরা মনে করেন, বর্তমান নীতিগুলো পরিবারগুলোর ওপর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বিবেচনা করতে ব্যর্থ।
ICE কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের প্রয়োগ কার্যক্রম জাতীয় নিরাপত্তা বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী এবং যারা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেছে তাদের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে পরিচালিত হচ্ছে। তারা আরও জানায়, তাদের কার্যক্রম ফেডারেল আইন ও সংস্থার নীতি অনুসারে পরিচালিত হয়।
এই পরিস্থিতি অভিবাসন প্রয়োগ, পরিবারের সুস্থতা এবং শিশুদের বিকাশের মধ্যে জটিল সম্পর্ককে তুলে ধরে। শিশু মনোবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘস্থায়ী চাপ এবং উদ্বেগের কারণে শিশুদের মানসিক ও আবেগিক স্বাস্থ্যের উপর স্থায়ী প্রভাব পড়তে পারে। অভিবাসন পরিস্থিতি ঘিরে অনিশ্চয়তা পারিবারিক জীবনে অস্থিরতা এবং ভয়ের অনুভূতি তৈরি করতে পারে।
কমিউনিটি সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আইনি সহায়তা, মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিক্ষামূলক প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন সম্পদ ও সহায়তা প্রদানের জন্য কাজ করছে। এই সংস্থাগুলোর লক্ষ্য হল Twin Cities এ ICE এর কার্যকলাপের কারণে শিশু ও পরিবারগুলোর উপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তা কমানো। পরিস্থিতি এখনও চলমান, এবং কমিউনিটি গ্রুপগুলো নীতি পরিবর্তনের জন্য সমর্থন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখায় আরও অগ্রগতি আশা করা যাচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment