ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টারের নতুন একটি গবেষণা অনুসারে, ৮০-এর দশকেও যাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর থাকে, তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনগত সুবিধা রয়েছে যা তাদের মস্তিষ্ককে রক্ষা করে। ২০২২ সালের ২২শে জানুয়ারি প্রকাশিত গবেষণাটি প্রকাশ করে যে এই "সুপার এজার"-দের মধ্যে APOE-ε4 জিন ভেরিয়েন্ট থাকার সম্ভাবনা কম, যা позднего возраста শুরু হওয়া আলঝেইমার রোগের (AD) জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী পরিচিত জিনগত ঝুঁকির কারণ।
গবেষণায় সুপার এজারদের জিনগত প্রোফাইলের সাথে অন্যান্য সুস্থ প্রবীণদের তুলনা করা হয়েছে। সুপার এজার বলতে ৮০ বছরের বেশি বয়সী এমন ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে যাদের জ্ঞানীয় ক্ষমতা তাদের সমবয়সীদের তুলনায় অনেক বেশি। গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে সুপার এজারদের মধ্যে শুধুমাত্র APOE-ε4 ভেরিয়েন্টের প্রকোপ কম ছিল তাই নয়, তাদের মধ্যে APOE-ε2 ভেরিয়েন্টের মাত্রাও বেশি ছিল, যা আলঝেইমারের ঝুঁকি হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত একই জিনের একটি রূপ।
ভ্যান্ডারবিল্টের নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক এবং গবেষণার প্রধান লেখক ড. [কাল্পনিক নাম] বলেন, "এই ফলাফলগুলো থেকে বোঝা যায় যে বয়স্ক বয়সে জ্ঞানীয় স্থিতিস্থাপকতা নির্ধারণে জিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।" "এই প্রতিরক্ষামূলক জিনগত কারণগুলো চিহ্নিত করা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে জ্ঞানীয় পতন প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করার জন্য लक्षিত हस्तक्षेप বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে পারে।"
APOE জিন এমন একটি প্রোটিন তৈরির নির্দেশনা দেয় যা রক্ত প্রবাহে কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য চর্বি বহন করতে সহায়তা করে। জিনের বিভিন্ন সংস্করণ আলঝেইমারের বিভিন্ন ঝুঁকির সাথে যুক্ত। APOE-ε4 ঝুঁকি বাড়ালেও, APOE-ε2 কিছু সুরক্ষা প্রদান করে বলে মনে করা হয়।
গবেষণাটি জিনগত প্রবণতা এবং জ্ঞানীয় বার্ধক্যের মধ্যে জটিল সম্পর্ককে তুলে ধরে। APOE-ε4 ভেরিয়েন্ট বহন করা আলঝেইমারের বিকাশের নিশ্চয়তা না দিলেও, এটি উল্লেখযোগ্যভাবে সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। বিপরীতভাবে, APOE-ε2 এর উপস্থিতি জ্ঞানীয় স্থিতিস্থাপকতাকে শক্তিশালী করে বলে মনে হয়।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথের একজন নিউরোজেনেটিসিস্ট ড. [কাল্পনিক নাম], যিনি এই গবেষণায় জড়িত ছিলেন না, তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, "এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে জিনতত্ত্বই সব নয়।" "জীবনযাত্রার কারণগুলো, যেমন খাদ্য, ব্যায়াম এবং জ্ঞানীয় সম্পৃক্ততা, জীবনভর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"
গবেষণার ফলাফলগুলো আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি বোঝা এবং সম্ভাব্যভাবে কমানোর জন্য বাস্তবসম্মত প্রভাব ফেলে। এই জিনগত প্রকারগুলি কীভাবে জ্ঞানীয় কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে এবং জিন-ভিত্তিক থেরাপি বিকাশের সম্ভাবনা অন্বেষণ করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। গবেষকরা এই ফলাফলগুলো যাচাই করতে এবং অন্যান্য জিনগত কারণগুলো যা জ্ঞানীয় স্থিতিস্থাপকতায় অবদান রাখতে পারে তা তদন্ত করার জন্য বৃহত্তর আকারের গবেষণা চালানোর পরিকল্পনা করছেন। চূড়ান্ত লক্ষ্য হল এই আবিষ্কারগুলোকে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকর বার্ধক্য প্রচার এবং আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধের জন্য কার্যকর কৌশলগুলিতে অনুবাদ করা।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment