মহাবিশ্বের প্রথম দিকে একটি কৃষ্ণগহ্বর অভূতপূর্ব গতিতে বাড়ছে, যা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে। ২০২৬ সালের ২৪শে জানুয়ারি ঘোষিত এই আবিষ্কারটি বিদ্যমান জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার তত্ত্বগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে। ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এবং তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা আন্তর্জাতিক দলটির নেতৃত্ব দেন।
সুবaru টেলিস্কোপ ব্যবহার করে পর্যবেক্ষিত কোয়াসারটি তাত্ত্বিক সীমার চেয়ে ১৩ গুণ দ্রুত হারে বস্তু গ্রাস করছে। এই দ্রুত বৃদ্ধির সাথে তীব্র এক্স-রে নিঃসরণ এবং একটি শক্তিশালী রেডিও জেট রয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন তারা কৃষ্ণগহ্বরের বিকাশের একটি স্বল্পস্থায়ী, অস্থির পর্ব প্রত্যক্ষ করছেন।
এই আবিষ্কার কৃষ্ণগহ্বর গঠনের মডেলগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য করে। অপ্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ থেকে বোঝা যায় যে বর্তমান ধারণা অসম্পূর্ণ। এই চরম মহাজাগতিক ঘটনাগুলো বুঝতে আরও গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোয়াসার হলো অতিবৃহৎ কৃষ্ণগহ্বর দ্বারা চালিত অত্যন্ত আলোকিত সক্রিয় গ্যালাকটিক নিউক্লিয়াস। এগুলো মহাবিশ্বের প্রথম দিকের মূল্যবান অনুসন্ধানী। তাদের আচরণ অধ্যয়ন করে গ্যালাক্সির বিবর্তন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
দলটি কোয়াসারের বিবর্তন নিরীক্ষণের জন্য আরও পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা করেছে। তারা কৃষ্ণগহ্বরের বৃদ্ধি এবং এর আশেপাশের পরিবেশের উপর এর প্রভাবের মডেলগুলোকে পরিমার্জন করতে চায়। এই গবেষণা মহাবিশ্বের গঠনমূলক বছরগুলোতে নতুন অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচন করতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment