৯/১১ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০০১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বহু দেশের কয়েক হাজার সামরিক ও বেসামরিক নারী-পুরুষ আফগানিস্তানে মোতায়েন হন। এই আন্তর্জাতিক সাড়া ছিল ন্যাটোর আর্টিকেল ৫-এরInvocation-এর ফলস্বরূপ। ন্যাটোর ইতিহাসে এই একবারই কালেক্টিভ ডিফেন্সের নীতি কার্যকর করা হয়েছিল, যেখানে একজন সদস্যের উপর হামলাকে সকলের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হয়।
বিবিসি নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্র্যাঙ্ক গার্ডনারের মতে, এই মোতায়েনের মধ্যে বেশ কিছু ঝুঁকি ছিল, যার মধ্যে কান্দাহার, কাবুল এবং ক্যাম্প বাস্টিয়নের মতো স্থানে বিমান চলাচলের সময় ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি, সেইসাথে রকেট হামলা এবং ফরোয়ার্ড অপারেটিং বেসগুলোতে (FOBs) ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (IEDs) দ্বারা সৃষ্ট বিপদও ছিল। গার্ডনার উল্লেখ করেছেন যে, ওই সময়ে আফগানিস্তানে যারা কাজ করেছেন, তাদের সেই অভিজ্ঞতার স্পষ্ট স্মৃতি থাকবে।
আফগানিস্তানের তালেবানদের দ্বারা আশ্রয় পাওয়া আল-কায়েদা ৯/১১-এর হামলা চালায়, যাতে প্রায় ৩,০০০ মানুষ মারা যায়। এরপর যুক্তরাষ্ট্র আর্টিকেল ৫ কার্যকর করে। এর ফলস্বরূপ সন্ত্রাসবাদ দমন এবং দেশটিকে স্থিতিশীল করার জন্য একটি বহুজাতিক প্রচেষ্টা শুরু হয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment