অভিযোগগুলো স্পেনের বাইরে সংঘটিত হয়েছে বলে গণ্য হওয়ায় প্রসিকিউটরদের সিদ্ধান্তটি এর ওপর নির্ভরশীল ছিল। এই এখতিয়ারের অভাবে স্প্যানিশ আদালত মামলাটি আরও আগে বাড়াতে পারছে না। নারীরা দাবি করেছেন যে ইগলেসিয়াসের ক্যারিবীয় অঞ্চলের সম্পত্তিতে তাদের কর্মকালীন সময়ে নির্যাতনগুলো সংঘটিত হয়েছিল।
জুলিও ইগলেসিয়াস জোরালোভাবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন যে অভিযোগগুলো "পুরোপুরি মিথ্যা" এবং এটি তাকে "গভীর বেদনা" দেয়।
স্প্যানিশ নিউজ সাইট এলডিয়ারিও.এস এবং ইউনিভিশন নোটিসিয়াসের তিন বছরের যৌথ তদন্তের পর অভিযোগগুলো সামনে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তটি ১৯৯০-এর দশকের শেষ থেকে বর্তমান পর্যন্ত ৮২ বছর বয়সী গায়কের হয়ে কাজ করা ১৫ জন প্রাক্তন কর্মচারীর সাক্ষ্য সংগ্রহ করেছে। এই সাক্ষ্যগুলোতে предполагаিত অসদাচরণ এবং একটি প্রতিকূল কাজের পরিবেশের বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের খারিজ আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে সংঘটিত কথিত অপরাধের বিচার করার জটিলতা তুলে ধরে। এখতিয়ার, আইনের একটি মৌলিক নীতি, যা কোন আদালতের মামলা শোনার অধিকার আছে তা নির্ধারণ করে। এই ক্ষেত্রে, স্প্যানিশ প্রসিকিউটররা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে অভিযুক্ত অপরাধগুলো তাদের আইনি নাগালের বাইরে ঘটেছে।
এই মামলাটি নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষমতার গতিশীলতা সম্পর্কে বৃহত্তর প্রশ্ন উত্থাপন করে, বিশেষ করে এমন শিল্পগুলোতে যেখানে ব্যক্তি নির্যাতনের শিকার হতে পারে। মিটু আন্দোলন এই বিষয়গুলোর প্রতি ক্রমবর্ধমান মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, যা শ্রমিকদের জন্য বৃহত্তর জবাবদিহিতা এবং সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।
স্প্যানিশ আইনি কার্যক্রম শেষ হলেও, ইগলেসিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তার ভাবমূর্তি এবং উত্তরাধিকারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এলডিয়ারিও.এস এবং ইউনিভিশন নোটিসিয়াসের তদন্ত জনসাধারণের রেকর্ডে রয়ে গেছে এবং প্রাক্তন কর্মচারীদের সাক্ষ্য প্রচারিত হতে পারে। এই মামলার ভবিষ্যৎ, যদি কিছু থাকে, বর্তমানে অজানা।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment