বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করতে ব্যর্থ হয়েছে যার লক্ষ্য ছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা থেকে বিরত রাখা। ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত প্রস্তাবের ভোটটি টাই হয়, পাসের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়।
ফলাফলটি তৎকালীন হাউস স্পিকার মাইক জনসনকে দলীয় ঐক্য বজায় রাখতে যে চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হতে হয়েছিল তা তুলে ধরে এবং রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের মধ্যে ভেনেজুয়েলার প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ক্রমবর্ধমান অস্বস্তিকেও প্রতিফলিত করে। রিপাবলিকান নেতারা প্রস্তাবটি পরাজিত করার জন্য ২০ মিনিটের বেশি সময় ধরে ভোট খোলা রেখেছিলেন।
ভেনেজুয়েলায় সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের উদ্বেগের মধ্যে প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়েছিল, দেশটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা অনুভব করছিল। প্রস্তাবের প্রস্তাবকরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে, সৈন্যদের মোতায়েন করার জন্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার উপর কংগ্রেসের একটি নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত, বিশেষত এমন পরিস্থিতিতে যেখানে সামরিক পদক্ষেপ স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়নি।
গত সপ্তাহে সিনেটে অনুরূপ একটি প্রস্তাবের ভোটও টাই হয়েছিল, পরে সিনেটর জেডি ভ্যান্স অচলাবস্থা ভেঙেছিলেন।
প্রস্তাবটি নিয়ে বিতর্ক ভেনেজুয়েলার প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরেছে। কিছু আইনপ্রণেতা নিকোলাস মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী অবস্থানের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ কূটনৈতিক সমাধানের গুরুত্ব এবং সামরিক হস্তক্ষেপ এড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন।
প্রস্তাবটি ব্যর্থ হওয়ার অর্থ এই নয় যে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সেনা মোতায়েন আসন্ন, তবে এটি এই ধরনের পদক্ষেপের সম্ভাবনা খোলা রাখে। ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে ভেনেজুয়েলা সম্পর্কে সমস্ত বিকল্প টেবিলে রয়েছে বলে জানিয়েছিল, তবে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি তার অগ্রাধিকারের উপরও জোর দিয়েছিল। পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, এবং ভবিষ্যতের ঘটনাগুলি সম্ভবত ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সেইসাথে বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment