গাজার শান্তি পরিকল্পনা: হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ট্রাম্পের দ্বিতীয় পর্যায়কে বিলম্বিত করছে
মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ঘোষণা করেছেন যে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণে অস্বীকৃতির কারণে গাজার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়টি উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই বিষয়ে অবগত সূত্রের মতে, গাজা উপত্যকা এবং এর ২১ লক্ষ ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে "অত্যন্ত অভাবনীয়তা ও বিস্তারিত তথ্যের ঘাটতি" থাকার কারণে পরিকল্পনাটির অগ্রগতি মেঘাচ্ছন্ন।
উইটকফ বলেছেন যে নিরস্ত্রীকরণে ব্যর্থতা "মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে", যা পরবর্তী পর্যায়ের জন্য একটি বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। হামাস তাদের অস্ত্রকে ইসরায়েলের কয়েক দশকের সামরিক দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য অপরিহার্য মনে করে। এই অবস্থান একটি বড় বাধা তৈরি করেছে, যা সংঘাতকে পুনরায় উস্কে দিতে পারে, কারণ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের কিছু সদস্য সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে আগ্রহী।
দুই বছরের সংঘাতের পর গাজা উপত্যকা বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে, যা শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে। নিরস্ত্রীকরণের দাবি একটি কেন্দ্রীয় বিতর্কিত বিষয়, যেখানে হামাস সম্ভাব্য পরিণতি সত্ত্বেও তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার অনুমান বলছে যে, সংঘাতে ইসরায়েলের হাতে যতজন নিহত হয়েছে, হামাস সম্ভবত গাজায় তার চেয়ে বেশি নতুন সদস্য নিয়োগ করেছে, যা গোষ্ঠীটির স্থিতিস্থাপকতা এবং অব্যাহত প্রভাবের ইঙ্গিত দেয়।
ট্রাম্পের পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট তথ্যের অভাবে এর কার্যকারিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ঘনিষ্ঠভাবে এই উন্নয়নের দিকে নজর রাখছে, কারণ এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা একটি ব্যাপক ও ন্যায্য শান্তি চুক্তির সফল বাস্তবায়নের ওপর নির্ভরশীল। আসন্ন সপ্তাহগুলোতে এটা নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ হবে যে দলগুলো এই প্রাথমিক বাধাগুলো অতিক্রম করে একটি আরও টেকসই সমাধানের দিকে অগ্রসর হতে পারবে কিনা।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment