প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০শে জানুয়ারি থেকে শুরু করে এক বছরের জন্য ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার ১০%-এ বেঁধে রাখার প্রস্তাব করেছেন, যা অনেক আমেরিকানদের জন্য ক্রেডিট কার্ড ঋণের ক্রমবর্ধমান বোঝার দিকে নতুন করে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এই প্রস্তাবটি এমন সময় এসেছে যখন সেলেনা কুপারের মতো ২৬ বছর বয়সী প্রাক্তন প্যারা legal ব্যক্তি ক্রমবর্ধমান ঋণ এবং সুদের হার নিয়ে সংগ্রাম করছেন।
কুপার, যিনি মার্কিন সরকারের শাটডাউনের পরে তার চাকরি হারিয়েছেন, তিনটি কার্ড মিলিয়ে তার ক্রেডিট কার্ডের ঋণ ৬,০০০ ডলারে পৌঁছেছে। তিনি প্রথম অক্টোবরে পেমেন্ট মিস করেন এবং সম্প্রতি ক্যাপিটাল ওয়ান এবং আমেরিকান এক্সপ্রেস তাকে দেরিতে পেমেন্টের কারণে সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে অবহিত করেছে। কুপার জানান, ক্যাপিটাল ওয়ানের সুদের হার দ্বিগুণ হয়ে ১৬% হয়েছে, যেখানে আমেরিকান এক্সপ্রেসের সুদের হার ১০% থেকে বেড়ে ১৮% হয়েছে।
ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ক্যাপের লক্ষ্য হল একই ধরনের আর্থিক চাপের সম্মুখীন ভোক্তাদের সাময়িক স্বস্তি দেওয়া। তবে কুপার মনে করেন, এই ক্যাপ সহায়ক হলেও তার ঋণের সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান করবে না। তিনি বলেন, "এটা কিছুটা সাহায্য করবে, তবে এটি আমাকে ঋণ থেকে মুক্তি দেবে না।" তিনি এখন দক্ষিণ ক্যারোলিনার কলাম্বিয়ায় তার ফটোগ্রাফি ব্যবসা থেকে আয়ের উপর নির্ভর করছেন।
ক্রেডিট কার্ড ঋণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি স্থায়ী সমস্যা, যেখানে সুদের হার প্রায়শই ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক চাপ আরও বাড়িয়ে তোলে। একটি অস্থায়ী ক্যাপ স্বল্পমেয়াদী সহায়তা দিতে পারে, তবে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব অনিশ্চিত। ঋণ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত খরচের অভ্যাস, আয়ের স্থিতিশীলতা এবং বিকল্প ক্রেডিট বিকল্পের সহজলভ্যতার মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই প্রস্তাবটি আর্থিক খাতে সরকারি হস্তক্ষেপের ভূমিকা এবং ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলোর উপর এর সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে। কিছু বিশ্লেষক মনে করেন যে, একটি ক্যাপ ঋণের সহজলভ্যতা হ্রাস বা কঠোর ঋণদান নীতিমালার দিকে পরিচালিত করতে পারে। প্রস্তাবটি বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে এবং এর বাস্তবায়ন ও সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য আগামী কয়েক সপ্তাহে প্রত্যাশিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment