ব্রিটিশ গ্যাস একজন গ্রাহককে ১,৫০০ পাউন্ডের বেশি অর্থ ফেরত দিতে ১৫ মাস সময় নিয়েছে, যেখানে প্রায় এক বছর আগে এনার্জি ন্যায়পাল (energy ombudsman) রায় দিয়েছিলেন। বেথ কোজডার ২০২৪ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের তার এক বেডরুমের ফ্ল্যাট থেকে স্থানান্তরিত হন এবং ব্রিটিশ গ্যাস থেকে চূড়ান্ত বিল বা ক্রেডিট ফেরত না পাওয়ায় ন্যায়পালের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এনার্জি ন্যায়পাল কোজডারের পক্ষে রায় দেন এবং ব্রিটিশ গ্যাসকে তার অনুরোধ পূরণের নির্দেশ দেন। তবে, ন্যায়পালের তার সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আইনি ক্ষমতা নেই। ক্ষুদ্র দাবি আদালতে (small claims court) তার মামলা শোনার ঠিক আগে, কোজডার এই সপ্তাহে তার রিফান্ডের প্রস্তাব পান।
ব্রিটিশ গ্যাস জানিয়েছে যে তারা কোজডারের জন্য "ন্যায়পালের প্রতিকার বাস্তবায়ন করছে" এবং বিলম্বের জন্য ক্ষমা চেয়েছে। কোম্পানি এক বিবৃতিতে বলেছে, "দেরি হওয়ার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।"
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোজডার এই প্রক্রিয়াটিকে "অবিরাম, ক্লান্তিকর এবং সম্পূর্ণ হতাশাজনক" বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি তার ফ্ল্যাট থেকে চলে যাওয়ার সময় ব্রিটিশ গ্যাসকে মিটার রিডিং সরবরাহ করেছিলেন, চূড়ান্ত বিলের প্রত্যাশায়।
এই বিলম্ব জ্বালানি খাতে গ্রাহক পরিষেবা এবং বিলিংয়ের যথার্থতা নিয়ে চলমান উদ্বেগকে তুলে ধরে। যদিও এনার্জি ন্যায়পালের মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিদ্যমান, তবে তাদের প্রয়োগের ক্ষমতার অভাবে গ্রাহকদের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে সমস্যা সমাধানের প্রয়োজন হতে পারে। এই ঘটনাটি গ্রাহকদের উপর সম্ভাব্য বোঝা চিত্রিত করে, যাদের বিলিং সমস্যা সমাধানের জন্য আইনি পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment