মঙ্গলবার ভোরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সাথে সাথেই কিয়েভে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। রাজধানী আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী সতর্কতা জারি করে। এই হামলাটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ১,৪২৬তম দিন ছিল।
রাশিয়া বিশাল ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। হিমাঙ্কের তাপমাত্রার মধ্যে এই হামলায় পাঁচটি অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা ১৪৫টি ড্রোন উৎক্ষেপণের কথা জানিয়েছেন, যার মধ্যে ১২৬টি প্রতিহত করা হয়েছে।
দক্ষিণ ইউক্রেনের ওডেসার জ্বালানি ও গ্যাস অবকাঠামোগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইউক্রেনের বৃহত্তম বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা ডিটিইকে নিশ্চিত করেছে যে তাদের ওডেসা facility-টির যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে ৩০,৮০০টি পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছে। ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভেও সোমবার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।
চলমান সংঘাত, যা এখন চতুর্থ বছরের কাছাকাছি, একটি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়ক্ষতির যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোর উপর মনোযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্য হল ইউক্রেনের অর্থনীতিকে পঙ্গু করা এবং শীতের মাসগুলোতে বেসামরিক জনগণের মনোবল দুর্বল করা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আরও escalation-এর আশঙ্কা করছেন কারণ উভয় পক্ষই একটি দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
যুদ্ধ অব্যাহত থাকার এবং বেসামরিক অবকাঠামোর উপর আরও হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment