বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা লিস ডাউসেট জোর দিয়ে বলেছেন যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অন্য যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়ে বিশ্ব ব্যবস্থাকে আরও গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। ডাউসেটের এই মূল্যায়ন ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি সিদ্ধান্ত এবং বাগাড়ম্বর নিয়ে চলমান আন্তর্জাতিক পর্যালোচনার মধ্যে এসেছে।
ডাউসেট দ্বিতীয় মেয়াদে প্রবেশের পর ট্রাম্পের প্রাথমিক ঘোষণার ওপর আলোকপাত করেন, যেখানে তিনি "কোনো কিছুই আমাদের পথে দাঁড়াতে পারবে না" বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, যা তিনি "চূড়ান্ত সংকল্প" এর সাথে বলেছিলেন বলে ডাউসেট বর্ণনা করেছেন। তিনি ট্রাম্পের "manifest destiny" (স্বর্গীয় অধিকার)-এর উল্লেখের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যা ১৯ শতকের একটি মতবাদ, এবং তার পররাষ্ট্র বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির উপর এর সম্ভাব্য প্রভাবের ইঙ্গিত দেন।
এই প্রতিবেদক গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণে ট্রাম্পের আগ্রহের কথা উল্লেখ করেছেন যা তার এই disruptive (বিঘ্ন সৃষ্টিকারী) দৃষ্টিভঙ্গির একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ। ট্রাম্প নাকি বলেছিলেন, "এটা আমাদের পেতেই হবে," যা ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক রীতিনীতি থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। ডাউসেট এই প্রচেষ্টাকে "গুরুতর ঝুঁকিপূর্ণ মুহূর্তে একটি রুঢ় জাগরণ" হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে, অসংখ্য হস্তক্ষেপ এবং শাসন পরিবর্তন দেশটির পররাষ্ট্রনীতির অংশ ছিল। তবে, ডাউসেট যুক্তি দেখান যে ট্রাম্পের এই পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য একটি অনন্য চ্যালেঞ্জ।
বিবিসি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে তার নীতির ফলস্বরূপ, বিশেষ করে গ্রিনল্যান্ডের ক্ষেত্রে, ন্যাটোর সম্ভাব্য বিলুপ্তি সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চেয়েছিল। এই জিজ্ঞাসা আন্তর্জাতিক জোট এবং স্থিতিশীলতার উপর ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগকে তুলে ধরে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment