ভারতের মাটিতে ম্যাচ খেলা নিয়ে অমীমাংসিত নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, মঙ্গলবার এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন একজন শীর্ষ ক্রীড়া কর্মকর্তা। বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল রাষ্ট্র-পরিচালিত বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, বাংলাদেশ ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছে এবং ভারতে খেলতে বাধ্য করার চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না।
এই বিরোধ টুর্নামেন্টের সূচি এবং বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, যার ফলে ভক্ত ও খেলোয়াড়রা তাদের দলের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। নজরুল বলেন, "যৌক্তিক কারণে আমরা ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছি।" তিনি দেশের দৃঢ় অবস্থানের ওপর জোর দেন। "অযৌক্তিক চাপ বা অযৌক্তিক জোর করে আমাদেরকে ভারতে খেলতে বাধ্য করা যাবে না।"
এই পরিস্থিতি ২০১৬ সালের এশিয়া কাপের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়, যখন নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে পাকিস্তান তাদের ম্যাচগুলো বাংলাদেশে খেলেছিল। ঐতিহাসিকভাবে, ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট ম্যাচগুলো উচ্চ- stakes এর বিষয়, যা প্রায়শই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে থাকে। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, ভারত একটি শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে বাংলাদেশকে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত করে, যেখানে বিরাট কোহলি ৬৪ রান করেন এবং লিটন দাস বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে দ্রুত ৬০ রানের ইনিংস খেলেন। এই ধরনের প্রতিযোগিতাগুলো প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব এবং উভয় দেশের জন্য এই ম্যাচগুলোর তাৎপর্য তুলে ধরে।
আইসিসি এখনো পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে বিসিবি এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) মধ্যে আলোচনার মধ্যস্থতা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই আলোচনার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে কিনা এবং তাদের ম্যাচগুলো কোথায় অনুষ্ঠিত হবে। এই অনিশ্চয়তা দলের প্রস্তুতিকে অনিশ্চিত করে তুলেছে, যা খেলোয়াড়দের মনোবল এবং পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করতে পারে। আলোচনা অব্যাহত থাকায় আগামী দিনে আরও আপডেটের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment