সিনাই হেলথের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি নতুন রক্ত পরীক্ষা ক্রোন'স রোগের লক্ষণ প্রকাশের বহু বছর আগে এটি শনাক্ত করতে পারে। এই পরীক্ষাটি সেই ব্যক্তিদের মধ্যে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার প্রতি একটি অস্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা চিহ্নিত করে যারা পরবর্তীতে এই রোগে আক্রান্ত হন, যা রোগের প্রাথমিক নির্ণয় এবং সম্ভাব্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার সুযোগ তৈরি করে।
লুনেনফেল্ড-টানেনবাউম রিসার্চ ইনস্টিটিউটে পরিচালিত গবেষণায় ক্রোন'স রোগীদের সুস্থ আত্মীয়দের মধ্যে রোগের প্রথম দিকের সতর্ক সংকেতগুলো চিহ্নিত করার জন্য অধ্যয়ন করা হয়। গবেষকদের মতে, রক্ত পরীক্ষা ক্লিনিকাল লক্ষণ প্রকাশের অনেক আগে এই সংকেতগুলো শনাক্ত করতে পারে। এই প্রাথমিক সনাক্তকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ ক্রোন'স রোগ, একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনক পেটের রোগ, যা চিকিত্সা না করা হলে পাচনতন্ত্রের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করতে পারে।
গবেষণার প্রধান লেখক ডাঃ [Insert fictional name and title of researcher] বলেন, "ক্রোন'স রোগকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রাথমিক রোগ নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রক্ত পরীক্ষা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সনাক্ত করার একটি অ-আক্রমণাত্মক উপায় সরবরাহ করে, যা সক্রিয় পর্যবেক্ষণ এবং রোগের অগ্রগতি বিলম্বিত বা এমনকি প্রতিরোধের জন্য সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের সুযোগ দেয়।"
ক্রোন'স রোগ বিশ্বব্যাপী আনুমানিক [Insert statistic] মানুষকে প্রভাবিত করে, যার ফলে পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, ক্লান্তি এবং ওজন হ্রাসের মতো লক্ষণ দেখা যায়। এই রোগটি পাচনতন্ত্রের প্রদাহ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, যা অন্ত্রের বাধা, আলসার এবং ফিস্টুলাগুলির মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বর্তমান ডায়াগনস্টিক পদ্ধতিগুলোতে সাধারণত colonoscopies এবং biopsies-এর মতো আক্রমণাত্মক পদ্ধতি জড়িত, যা প্রায়শই লক্ষণ প্রকাশের পরে করা হয়।
রক্ত পরীক্ষাটি অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে লক্ষ্য করে এমন নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি সনাক্ত করে কাজ করে। এই অ্যান্টিবডিগুলো অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যহীনতার প্রতিক্রিয়ায় রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্বারা উৎপাদিত হয়, যা ডিসবায়োসিস নামে পরিচিত। গবেষকরা মনে করেন যে এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদাহজনক প্রক্রিয়ার প্রাথমিক সূচক হতে পারে যা শেষ পর্যন্ত ক্রোন'স রোগের দিকে পরিচালিত করে।
এই গবেষণার সাথে জড়িত নন এমন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডাঃ [Insert fictional name and title of gastroenterologist not involved in the study] ব্যাখ্যা করেন, "এই প্রাথমিক মার্কারগুলোর সনাক্তকরণ ক্রোন'স রোগ সম্পর্কে আমাদের বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি প্রতিরোধমূলক থেরাপি এবং ব্যক্তিগতকৃত চিকিত্সা পদ্ধতির গবেষণার জন্য নতুন পথ খুলে দেয়।"
গবেষকরা এখন রক্ত পরীক্ষাটিকে আরও পরিমার্জিত করতে এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে এর নির্ভুলতা যাচাই করতে কাজ করছেন। তারা সম্ভাব্য হস্তক্ষেপগুলোও খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছেন, যেমন খাদ্য পরিবর্তন বা লক্ষ্যযুক্ত থেরাপি, যা ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্রোন'স রোগের বিকাশ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। এই ফলাফলগুলো রোগের প্রাথমিক নির্ণয় এবং ভবিষ্যতের প্রতিরোধের জন্য আশা জাগায়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment