রাজ্যগুলির ব্যবহৃত আইনি কৌশলগুলি নির্দিষ্ট মামলার আইনের উপর নির্ভরশীল ছিল যা রাজ্যপালের সম্মতি ব্যতীত অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাকে সীমিত করে। এই যুক্তিগুলি বিদ্রোহ আইন (Insurrection Act) এবং পসি কমিটাটাস আইন (Posse Comitatus Act) এর ব্যাখ্যার উপর কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল, যা সাধারণত বেসামরিক আইন প্রয়োগের জন্য সামরিক বাহিনীর ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।
জড়িত অ্যাটর্নি জেনারেলদের মতে, আইনি দলগুলি প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপের পূর্বাভাস দিয়ে নথি এবং যুক্তি প্রস্তুত করার জন্য দিনরাত কাজ করেছে। এর মধ্যে ঐতিহাসিক নজিরগুলির গবেষণা, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার পরিধি বিশ্লেষণ এবং একাধিক রাজ্যে আইনি কৌশলগুলির সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এই রাজ্যগুলিতে ন্যাশনাল গার্ড সৈন্যদের ব্যবহার প্রাথমিকভাবে ট্রাম্প প্রশাসন সামাজিক অস্থিরতার সময়কালে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ফেডারেল সম্পত্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করেছিল। তবে, সমালোচকরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে এই মোতায়েন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং রাজ্যীয় বিষয়গুলিতে ফেডারেল ক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহার ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের রায়, যদিও উৎস উপাদানটিতে স্পষ্টভাবে বিশদভাবে বলা হয়নি, আপাতদৃষ্টিতে রাজ্যগুলির যুক্তির পক্ষ নিয়েছিল, যার ফলে ন্যাশনাল গার্ড সৈন্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছিল। রায়ের নির্দিষ্ট আইনি ভিত্তি এখনও অস্পষ্ট, তবে এটি অভ্যন্তরীণ উদ্দেশ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা কার্যকরভাবে জোরদার করেছে।
এই আইনি লড়াইয়ের নিষ্পত্তি ফেডারেল এবং রাজ্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে তুলে ধরে, বিশেষত রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং সামাজিক অস্থিরতার সময়ে। এই মামলাটি নির্বাহী পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আইনি প্রস্তুতি এবং সমন্বয়ের গুরুত্বকেও তুলে ধরে, যা ক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহার হিসাবে বিবেচিত হয়।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment