পিএইচডি শিক্ষার্থীরা প্রায়শই বার্নআউটের শিকার হন, কাজ এবং বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সংগ্রাম করেন। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পিএইচডি প্রার্থী ক্লান্তির সাথে ব্যক্তিগত সংগ্রামের কথা প্রকাশ করেছেন, যা এমন একটি সংস্কৃতিকে তুলে ধরে যা অতিরিক্ত কাজকে পুরস্কৃত করে। শিক্ষার্থী, যিনি এখন চতুর্থ বর্ষে, বুঝতে পেরেছেন যে একটি সহায়ক পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জুলাই মাসে তাদের মায়ের কাছ থেকে দেখা করার পরে এই বিষয়টি তাদের নজরে আসে। শিক্ষার্থী স্বীকার করেছেন যে তারা উইকেন্ডে ল্যাবে কাজ করে এবং গভীর রাতের ইমেলের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সংকেত দিতেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই আচরণটি একাডেমিয়ায় সাধারণ। ক্রমাগত পারফর্ম করার চাপ দীর্ঘস্থায়ী চাপ এবং সুস্থতার হ্রাস ঘটাতে পারে। এটি শারীরিক লক্ষণ যেমন ক্লান্তি, ঘুমের ব্যাঘাত এবং দুর্বল অনাক্রম্যতা হিসাবে প্রকাশ পেতে পারে। শিক্ষার্থী এখন কীভাবে বিশ্রাম নিতে হয় তা সক্রিয়ভাবে শিখছেন। এর মধ্যে রয়েছে সীমা নির্ধারণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এই অভিজ্ঞতা একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে পদ্ধতিগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর কাজের অভ্যাস প্রচার করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সুস্থতার জন্য সংস্থান সরবরাহ করতে হবে। ভবিষ্যতের গবেষণায় পিএইচডি প্রোগ্রামগুলিতে বার্নআউট মোকাবেলার জন্য কার্যকর হস্তক্ষেপের দিকে নজর দেওয়া উচিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment