ডুসেট ট্রাম্পের উদ্বোধনী ভাষণ, বিশেষ করে "manifest destiny"-এর উল্লেখকে, বিশ্বে আমেরিকার ভূমিকা পুনর্গঠনের অভিপ্রায়ের প্রথম দিকের সূচক হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি পানামা খাল অধিগ্রহণে ট্রাম্পের অতীতের আগ্রহ এবং গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টাকে এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। ডুসেট ট্রাম্পের ভাষণ থেকে উদ্ধৃত করেন, "প্রথম দিনেই তিনি বিশ্বকে সতর্ক করেছিলেন। 'কোনো কিছুই আমাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না'।"
ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগুলো সমর্থন ও সমালোচনা দুটোই আকর্ষণ করেছে। সমর্থকরা যুক্তি দেখান যে ট্রাম্প আমেরিকার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এবং তারা যাকে অন্যায় বাণিজ্য চর্চা ও নিরাপত্তা বোঝা মনে করেন, তা সংশোধন করছেন। অন্যদিকে, সমালোচকরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষয় এবং সম্ভাব্য বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রশাসন কর্তৃক ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ বাণিজ্য চুক্তি, প্যারিস জলবায়ু চুক্তি এবং ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসা বহুপাক্ষিকতাবাদ থেকে তাদের সরে আসার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। উপরন্তু, ট্রাম্পের ন্যাটো-র প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং প্রধান মিত্রদের থেকে আসা পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ দীর্ঘদিনের অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও কঠিন করে তুলেছে।
বিবিসি সম্প্রতি ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছে যে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের জন্য ন্যাটো ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা তিনি মেনে নিতে রাজি কিনা। এই কথোপকথনটি তুলে ধরে যে ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্তগুলো কতটা অপ্রচলিত এবং সম্ভাব্যভাবে অস্থিতিশীল হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
পররাষ্ট্রনীতির প্রতি ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির তাৎপর্য নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে চলমান বিতর্কের বিষয়। আগামী বছরগুলোতে সম্ভবত বিশ্ব পরিস্থিতির উপর তার প্রেসিডেন্সির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নির্ধারিত হবে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment