যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের পণ্যের উপর শুল্ক কমিয়ে ১৫ করবে, বিনিময়ে তাইওয়ানের কাছ থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আসবে। তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর ও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে কমপক্ষে ২৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেই এই চুক্তিটি হয়েছে। বাণিজ্য দপ্তর আজ এই ঘোষণা করেছে। এছাড়াও, চুক্তিতে তাইওয়ানের যে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করবে, তাদের জন্য শুল্ক ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই চুক্তির লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন বাড়ানো। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় সাপ্লাই চেইনে যে দুর্বলতা দেখা গিয়েছিল, সেটি এই চুক্তির মাধ্যমে দূর করা যাবে। বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছেন, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে "স্বয়ংসম্পূর্ণ" হতে সাহায্য করবে। সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এর তাৎক্ষণিক বাজার প্রভাব এখনো বোঝা যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়বে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে।
যুক্তরাষ্ট্র দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকার এই শিল্পে শত শত বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিয়েছে। এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্লাই চেইন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
পরবর্তী ধাপে চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে। আশা করা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই এটি কার্যকর করা শুরু হবে। আগামী কয়েক সপ্তাহে নির্দিষ্ট বিনিয়োগ প্রকল্পগুলো নিয়ে আরও ঘোষণা আসতে পারে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment