ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোрина মাচাদোকে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানাবেন মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের পর ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য। ৩ জানুয়ারি ভোরে একটি অভিজাত মার্কিন সামরিক দল মাদুরোকে আটক করে নিউ ইয়র্ক সিটির একটি কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ভেনেজুয়েলার জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মাদুরোর অপসারণের ফলে সৃষ্ট ক্ষমতার শূন্যতা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপের কারণে এই আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলা এবং আন্তর্জাতিক মহলের অনেক পর্যবেক্ষকই অনুমান করেছিলেন মাদুরোর গ্রেপ্তারের পর মাচাদো একটি নেতৃত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবেন। তবে, হোয়াইট হাউস তাকে অনেকটা পাশ কাটিয়ে গেছে, মাদুরোর প্রাক্তন ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, এমনকি ট্রাম্প জোর দিয়ে বলছেন যে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির পরিবর্তন তদারকি করবে।
তেল সম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ ভেনেজুয়েলা বহু বছর ধরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক turmoil-এর মধ্যে রয়েছে। মাদুরোর presidency স্বৈরাচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগে চিহ্নিত, যার ফলে খাদ্য ও ওষুধের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ ভেনেজুয়েলান প্রতিবেশী দেশ এবং তার বাইরেও আশ্রয়Seeking refuge নিতে বাধ্য হয়েছে। ভেনেজুয়েলার বিরোধী আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মাচাদো এক দশকের বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং সরকার পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলছেন। তার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেশটির সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রচারের জন্য তার নিরলস প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন কেউ কেউ, যা প্রক্রিয়ার বৈধতা এবং অব্যাহত অস্থিরতার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই পদক্ষেপটি ওয়াশিংটনের পূর্বের অবস্থানকেও contradict করছে, যেখানে মাচাদো এবং অন্যান্য বিরোধী ব্যক্তিত্বকে ভেনেজুয়েলার জনগণের বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে সমর্থন করা হয়েছিল।
কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও একটি মাত্রা যোগ করে, যুক্তরাজ্যে ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রদূত এবং রদ্রিগেজের ঘনিষ্ঠ মিত্র ফেলিক্স প্লাসেন্সিয়াও বৃহস্পতিবার আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্লাসেন্সিয়ার সফরের আলোচ্যসূচি এখনও স্পষ্ট নয়, তবে এতে संक्रमण প্রক্রিয়া এবং মার্কিন-ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিংটনে মাচাদো এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন প্রতিনিধির একই সময়ে উপস্থিতি একটি জটিল এবং সম্ভাব্য কঠিন আলোচনার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, এই অঞ্চলে আরও অস্থিরতার সম্ভাবনা এবং ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য মানবিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment