তাৎপর্যপূর্ণ বিনিয়োগের বিনিময়ে তাইওয়ানের পণ্যের উপর থেকে শুল্ক কমাবে যুক্তরাষ্ট্র। আজকের ঘোষিত চুক্তিটির লক্ষ্য হল মার্কিন সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনকে আরও শক্তিশালী করা। তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর এবং প্রযুক্তি সংস্থাগুলো কমপক্ষে ২৫০ বিলিয়ন ডলার সরাসরি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাণিজ্য বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে চুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগকারী তাইওয়ানিজ সংস্থাগুলোর জন্য শুল্ক ছাড়ের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় এই চুক্তিটি করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারী-সৃষ্ট সংকট সাপ্লাই চেইনের দুর্বলতাগুলো উন্মোচিত করেছে। বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছেন যে এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে "আত্মনির্ভরশীলতা" অর্জনে সহায়তা করবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন নিয়ে আসার লক্ষ্যের ওপর জোর দেন।
শুল্ক হ্রাসের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সেমিকন্ডাক্টর বাজার প্রভাবিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মার্কিন-ভিত্তিক সুবিধাগুলোতে বর্ধিত বিনিয়োগের পূর্বাভাস দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য শত শত বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি বরাদ্দ করেছে।
সেমিকন্ডাক্টর চিপ স্বয়ংক্রিয় যান থেকে শুরু করে ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি চিপ উৎপাদনের উপর নির্ভরতা কমাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
পরবর্তী ধাপে তাইওয়ানের সংস্থাগুলোর বিনিয়োগ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। সুনির্দিষ্ট প্রকল্প এবং সময়সীমার বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যাশিত।
Discussion
Join the conversation
Be the first to comment